আল্লাহ, নবী-রাসুল, ফেরেশতা, মানুষ এবং সারা জাহান এবং অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে আলোচনা এবং গবেষনা।


এটা কি সত্য যে আল্লাহ নির্বিচারে মানুষকে পথভ্রষ্ট করেন?!


পবিত্র কুরআনে এমন অনেক আয়াতই রয়েছে যেগুলি যদি আমরা আক্ষরিক অর্থে নিই তাহলে তার অর্থ অনেক ক্ষেত্রেই খুবই অস্বস্তিকর এবং অযৌক্তিক হয়। যেমন কুরআন অনুযায়ী মনে হচ্ছে আল্লাহ ইচ্চাকৃতভাবেই কোন মানুষকে হেদায়েত দেন আর কোন মানুষকে পথভ্রষ্ট করেন।

[4সূরা আন নিসা 88] …তোমরা কি তাদেরকে পথ প্রদর্শন করতে চাও, যাদেরকে আল্লাহ পথভ্রষ্ট করেছেন? আল্লাহ যাকে পথভ্রান্ত করেন, তুমি তার জন্য কোন পথ পাবে না।

[4 সূরা আন নিসা 143] এরা দোদুল্যমান অবস্থায় ঝুলন্ত; এদিকেও নয় ওদিকেও নয়। বস্তুতঃ যাকে আল্লাহ গোমরাহ করে দেন, তুমি তাদের জন্য কোন পথই পাবে না কোথাও।

[6 সূরা আল্ আন-আম 39] …আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।

[6 সূরা আল্ আন-আম 125] অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে।…

[74 সূরা আল-মুদ্দাস্সির 31] …এমনিভাবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে চালান। …

এ যেন সাপ হয়ে দংশন করে আবার ওঝা হয়ে ঝাড়া! আমার মতে মহান আল্লাহ এ ধরনের কাজ করতে পারেন তা চিন্তা করাও পাপ। এটা নিঃসন্দেহে প্রমান করে আমরা কুরআনের অনেক গুপ্ত অর্থ বুঝি না বা পেপার কুরআনে অনেক কিছুই ভেজাল আছে। অনেকেই দাবি বা বিশ্বাস করে হাদিসে যেমন ভেজাল আছে কুরআনেও তেমনি ভেজাল আছে।

অনেকেই বিশ্বাস করেন “আল্লাহ কুরআন সংরক্ষন করবেন” বলে কুরআনে যে আয়াত রয়েছে যেই আয়াতটিই ভেজাল অথবা তার প্রকৃত অর্থ আমরা বুঝি না। অবশ্য আমরা এখানে কোন কিছু দাবী করছি না, আমরা এখানে আলোচনা করছি মাত্র।

যাহোক অন্ধবিশ্বাসের কারনে আমরা মহান আল্লাহকে কিভাবে অপমান করছি। মহান আল্লাহ অতি দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল তাইতো আমরা তাঁকে ওভাবে অপমান করা (বা ভুল বুঝাবুঝি) সত্বেও তিনি আমাদের শাস্তি দেন না। এসবের পরও তিনি আমাদের গভীরভাবে ভালবাসেন।  আমরা কি মহান আল্লাহকে গভীরভাবে ভালবাসতে পেরেছি?

23-07-16. Copyright © https://bangla.god-muslims.com/

 

 


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।