আল্লাহ, নবী-রাসুল, ফেরেশতা, মানুষ এবং সারা জাহান এবং অন্যান্য গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে আলোচনা এবং গবেষনা।


চাকুরী না ব্যবসাবানিজ্য?


বিশেষকরে আমাদের শিক্ষিত সমাজে এটা একটা বড় প্রশ্ন। আমাদের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অধিকাংশ ছেলে-মেয়েদের মাথায় চিন্তা যে ডিগ্রি অর্জন করে একটা ভাল চাকুরী পেতে হবে। যেন লেখা পড়া করার মুল উদ্দেশ্যই হল একটা ভাল চাকুরী করা! সবাই চাকুরী করতে চাইলে চাকুরীর বাজার তৈরি হবে কিভাবে? নতুন নতুন  চাকুরীর ক্ষেত্র তৈরি করার জন্য অবশ্যই অনেককেই ব্যবসাবানিজ্যর দিকে ঝুকতে হবে।

আমেরিকার মত দেশেও মাত্র ১০ থেকে ১২% সরকারী চাকুরী আছে অর্থাত সেদেশেও অধিকাংশ চাকুরীই হল বেসরকারী খাতে। অন্যান্য দেশে সরকারী চাকুরী আর সংকুচিত। কাজেই দেশে ব্যবসাবানিজ্যর সম্রসারন করে নতুন নতুন চাকুরী সৃস্টি করতে হবে। এটাও হবে দেশসেবা বা জনসেবা করার অন্যতম একটা গুরুত্বপুর্ন ক্ষেত্র। আমরা চাকুরীকে খারাপ কিছু বলছি না।

ধরুন একজন সৎ পুলিশ জীবনের ঝুকি নিয়ে সাধারন মানুষরে জান-মালের নিরাপত্তা দিচ্ছেন। সে কি একটা গুরুত্বপুর্ন কাজ করছে না? অবশ্যই।  একজন সৎ ডাক্তার যে সরকারী হাসপাতালে চাকুরী করেন সে কি মানুষের কল্যানে কাজ করছে না। একজন বিজ্ঞানী যে ল্যাবে বসে গবেষনা করছে্ন কি করে নতুন বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি আবিস্কার করা যায় যা দিয়ে মানুষের কল্যান হয়।

অনেক বিজ্ঞানী তো এমন কিছু আবিস্কার করেছেন যার জন্য কোটি কোটি মানুষের জীবন রক্ষা পাছে। যেমন পেনিছিলিন আবিস্কারের আগে ব্যাকটিরিয়ার সংক্রমনেই এই পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষের অসহায়ভাবে মৃত্যু হত। বা ধরুন এক্সরে আবিস্কারের আগে চিকিতসা বিজ্ঞানে মানুষের কি অবস্থা ছিল! ওসব মহান বিজ্ঞানীরাও তো চাকুরী করতেন। ওসব বিজ্ঞানীদের প্রতি বিনম্র স্রদ্ধা যাঁদের কাছে এই পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ ঝনী এবং যাঁদের কারনে আমাদের জীবন অনেক নিরাপদ হয়েছে।

কাজেই চাকুরীরও যেমন দরকার তেমনি ব্যবসাবানিজ্যর সম্প্রসারন করে নতুন নতুন চাকুরী সৃস্টি করাও জরুরী। যাদের আর্থিক অবস্থা বেশ ভাল তাদের লেখাপড়া শেষ করে চাকুরী না খুজে ব্যবসাবানিজ্যর দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। যাদের টাকা পয়সা মোটামুটি যথেস্ট আছে তারা চাকুরী থেকে অবসর নেওয়ার পরও তো ব্যবসাবানিজ্যর দিকে আসতে পারেন। যদি সামর্থ থাকে মানবসেবার কাজ হিসাবে অবসর জীবনকে এভাবে বেছে নিতে পারেন। সবাইকে ধন্যবাদ।

 


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।